শনিবার, ৩১-অক্টোবর ২০২০, ০৯:৪৭ অপরাহ্ন
  • অফিস-আদালত
  • »
  • স্বাস্থ্যের আলোচিত কর্মকর্তা সাজ্জাদ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ২ মামলা

স্বাস্থ্যের আলোচিত কর্মকর্তা সাজ্জাদ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ২ মামলা

shershanews24.com

প্রকাশ : ০১ অক্টোবর, ২০২০ ০৬:১৯ অপরাহ্ন

শীর্ষনিউজ, ঢাকা : জাতীয় বক্ষব্যাধি হাসপাতালের আলোচিত প্রশাসনিক কর্মকর্তা মুন্সী সাজ্জাদ হোসেন ও তার স্ত্রী ফারজানা হোসাইনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক মো. ফেরদৌস রহমান বাদী হয়ে মামলা দুটি করেন।

মুন্সী সাজ্জাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর মহাখালীর জাতীয় বক্ষব্যাধি হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মুন্সী সাজ্জাদ হোসেনকে তার নিজের ও তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিবর্গের নামে/বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণী আদেশ প্রাপ্তির ২১ কার্যদিবসের মধ্যে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক (বি: অনু: ও তদন্ত-১) বরাবর দাখিলের আদেশ দেয়া হয়।

২৬ নভেম্বর নিজ স্বাক্ষরে সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশসহ ছক গ্রহণ করেন মুন্সী সাজ্জাদ। পরে তিনি ৫ ডিসেম্বর সম্পদ বিবরণী দাখিলের সময় বৃদ্ধির জন্য দুদকের প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক (বি: অনু: ও তদন্ত-১) বরাবর আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সম্পদ বিবরণী দাখিলের সময়সীমা পূর্বোক্ত সময়সীমার ধারাবাহিকতায় আরও ১৫ কার্যদিবস অর্থাৎ চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। তথাপি তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থাৎ ১৯ জানুয়ারির মধ্যে কমিশনের আদেশ মোতাবেক সম্পদ বিবরণী দাখিল না করে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন, সেজন্য মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

মুন্সী সাজ্জাদের স্ত্রী ফারজানার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার অভিযোগে বলা হয়, ফারজানা হোসাইন দুর্নীতি দমন কমিশনের আদেশ মোতাবেক নির্ধারিত সময়ে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

মুন্সী সাজ্জাদ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ‘পর্দা কেলেঙ্কারির’ ঘটনায় দুদকের দায়ের করা মামলারও আসামি।

অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জন্য অপ্রয়োজনীয় এবং অবৈধভাবে প্রাক্কলনব্যতীত বেশি দামে যন্ত্রপাতি ক্রয়ের মাধ্যমে ১০ কোটি টাকা আত্মসাতের চেষ্টা করার অভিযোগে ৪০৯/৫১১/১০৯ ধারায় দণ্ডবিধির তৎসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় ওই মামলা হয়েছিল।
শীর্ষনিউজ/এসএসআই