বৃহস্পতিবার, ০৯-এপ্রিল ২০২০, ১১:২৯ অপরাহ্ন
  • অর্থনীতি
  • »
  • নিয়ম বদলেও ঠেকানো গেল না পুঁজিবাজারের পতন

নিয়ম বদলেও ঠেকানো গেল না পুঁজিবাজারের পতন

shershanews24.com

প্রকাশ : ২২ মার্চ, ২০২০ ০৪:০৫ অপরাহ্ন


শীর্ষ নিউজ, ঢাকা : শেয়ারবাজারের পতন ঠেকাতে শেয়ারের দাম কমার লাগাম টেনে নতুন সার্কিট ব্রেকার চালু করা হয়েছে। এরপরও রোববার প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) পতন ঠেকানো যায়নি।

এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সবকটি মূল্যসূচক কমেছে। শেয়ারের গড় দাম নির্ধারণে পরিবর্তন আনায় এবং বৃহস্পতিবার দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর দাম বাড়ায় এ পতন হয়েছে বলে জানান স্টক এক্সচেঞ্জের সংশ্লিষ্টরা।

অব্যাহত দরপতনের হাত থেকে শেয়ারবাজার রক্ষা করতে গত বৃহস্পতিবার নতুন সার্কিট ব্রেকার চালু করা হয়। এ সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণ করতে গিয়ে তিন দফা পেছানো হয় লেনদেন শুরুর সময়। অবশ্য নতুন সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণ করে দুপুর ২টায় শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হয়। যা চলে আড়াইটা পর্যন্ত। 

নতুন নিয়মের কারণে লেনদেন শুরুর আগেই বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়ে যায়। ফলে বৃহস্পতিবার মাত্র আধাঘণ্টার লেনদেনেই ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স বাড়ে ৩৭১ পয়েন্ট। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ বাড়ে ১২২ পয়েন্ট। ডিএসইর শরিয়াহ বাড়ে ৮৪ পয়েন্ট।

নতুন সার্কিট ব্রেকারের নিয়ম অনুযায়ী, কোম্পানির শেয়ারের লেনদেন শুরু হবে শেষ পাঁচ কার্যদিবসের ক্লোজিং প্রাইসের গড় মূল্য দিয়ে। এর নিচে কোনো কোম্পানির শেয়ারের দাম নামতে পারবে না। তবে দাম বাড়ার সীমা আগের মতোই থাকবে।

নতুন এ নিয়মে বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন হলেও বেশকিছু প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের গড় দাম নির্ধারণে ভুল হয়। এ কারণে রোববার শেয়ারের গড় দাম নির্ধারণে কিছুটা সংশোধনী আনা হয়।

এরপর লেনদেনের শুরুতেই দাম বাড়ার থেকে কমার তালিকায় নাম লেখাতে থাকে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান। ফলে নিম্নমুখি হতে থাকে মূল্য সূচক। যা লেনদেনের শেষ পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।

লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ১৪ পয়েন্ট কমে তিন হাজার ৯৬০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ কমেছে ৪ পয়েন্ট। আর ডিএসই শরিয়াহ কমেছে ২ পয়েন্ট। পতনের বাজারে লেনদেন হয়েছে ১৪৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।

এদিকে লেনদেনের শুরুতে কী পরিমাণ প্রতিষ্ঠানের দাম বেড়েছে এবং কমেছে, সে তথ্য প্রকাশ হলেও মাঝে লেনদেন হঠাৎ বন্ধ করে দেয়া হয়। ফলে দিনভর ডিএসইতে কতটি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নিয়েছে এবং কতটির দাম কমেছে বা বেড়েছে বা অপরিবর্তিত রয়েছে— সে তথ্য পাওয়া যায়নি।
শীর্ষ নিউজ