বৃহস্পতিবার, ০১-অক্টোবর ২০২০, ০৫:৩০ অপরাহ্ন
  • জেলা সংবাদ
  • »
  • সিনহা হত্যা: র‌্যাবের ধরে আনা পুলিশের ৩ সাক্ষীকে ‘অপহরণ’ দাবি করে মামলা

সিনহা হত্যা: র‌্যাবের ধরে আনা পুলিশের ৩ সাক্ষীকে ‘অপহরণ’ দাবি করে মামলা

shershanews24.com

প্রকাশ : ১২ আগস্ট, ২০২০ ১১:২৮ অপরাহ্ন

শীর্ষ নিউজ, কক্সবাজার: অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খানকে হত্যার ঘটনায় পুলিশের করা মামলার তিন সাক্ষী র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর তাদের অপহরণের অভিযোগে পাল্টা মামলা হয়েছে। তিন সাক্ষীর একজন নুরুল আমিনের মা খালেদা বেগম বাদী হয়ে মঙ্গলবার সকালে টেকনাফ থানায় অপহরণের মামলাটি করেন। 

টেকনাফ মডেল থানার নবনিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল ফয়সাল জানান, পুলিশের মামলায় যে তিনজনকে সাক্ষী করা হয়েছে তাদের মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে তদন্ত কমিটির কাছে জবানবন্দি দেওয়ার কথা ছিল। ওই সংক্রান্ত চিঠি নিয়ে পুলিশের একটি টিম সোমবার তিন সাক্ষীর গ্রামে যায়। সেখানে গিয়ে দেখা যায় সাক্ষী আয়াজ ও নুরুল আমিনের বাড়ি তালাবদ্ধ। নিজাম উদ্দিনের খোঁজ নেই।

তিনি জানান, তখন তিনি একটি টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের বাড়িতে না পাওয়ার ব্যাপারটি যাচাই করেন। তখন স্বজনরা পুলিশকে জানান, সাদা পোশাকে কে বা কারা তাদের নিয়ে গেছে। এটা জানার পর পুলিশ স্বজনদের জানায়, চাইলে এ ঘটনায় তারা মামলা করতে পারেন। এরপর মঙ্গলবার সকালে নুরুল আমিনের মা খালেদা বেগম বাদী হয়ে মামলা করেন। সেখানে তিনজন নিখোঁজ হওয়ার কথা বলা হয়।

ওসি আরও বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে তারা জানতে পারেন ওই তিনজনকে র‌্যাব গ্রেফতার করেছে।

এদিকে বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে টেকনাফে সিনহা হত্যা মামলায় চার পুলিশ সদস্য এবং পুলিশের দায়ের করা মামলার তিন সাক্ষীর প্রত্যেককে সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

এ বিষয়ে কক্সবাজার আদালতের পুলিশ পরিদর্শক প্রদীপ কুমার দাশ জানিয়েছেন, মেজর সিনহা হত্যা মামলার আসামি কনস্টেবল সাফানুল করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন ও সহকারী উপপরিদর্শক লিটন মিয়াকে সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। একই ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলার তিন সাক্ষী মো. আয়াছ, নুরুল আমিন ও নাজিম উদ্দিনকেও সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

এর আগে সিনহা হত্যা মামলায় টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপসহ তিন আসামিকে সাত দিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। বাকি চার পুলিশ সদস্যকে দু’দিন ধরে জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে গত সোমবার নতুন করে ১০ দিনের রিমান্ডের জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছিল। একইভাবে মঙ্গলবার পুলিশের দায়ের করা মামলার তিন সাক্ষীকে গ্রেফতারের পর আদালতে হাজির করে তাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়। এ দুটি আবেদনের শুনানি ছিল আজ বুধবার। আদালত আবেদন দুটির শুনানি শেষে প্রত্যেককে সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
শীর্ষ নিউজ/এন